চট্টগ্রাম বন্দর লিজ দিলে ক্ষতি নাকি লাভ এটা বুঝতে গেলে আগে আপনাকে বুঝতে হবে ভাড়া দেয়া বা লিজ দেয়া কি! আমরা দৈনন্দিন জীবনে বাড়ি-গাড়ি, জমি ইত্যাদি ভাড়া দিয়ে টাকা ইনকাম করে থাকি সুতরাং চট্টগ্রাম বন্দর লিজ/ভাড়া দেয়াও তেমন একটা ব্যাপার।
এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে, তাইলে অনেকেই এই বন্দর ভাড়া দেয়া নিয়ে জীবন বাজি রেখে প্রতিবাদ করছে তার কারণ কি? এখানেই মুল বিষয় লুকিয়ে আছে বাঁ এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে। একটু ভাল করে খেয়াল করুন তো আসলে কারা কারা এই বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করে যাচ্ছে। আসলে প্রতিবাদ তারাই করে যাচ্ছে যাদের ব্যাক্তিগত স্বার্থ লুকিয়ে আছে।
আসুন এবার একটু বিস্তারিত বুঝার চেষ্টা করা যাক। ধরুন আপনি বাড়ি ভাড়া দিয়ে কিছু টাকা পেয়ে থাকেন কারন আপনি ওই বাড়ির মালিক, তাইলে বন্দরের মালিক তো বাংলাদেশ, সুতরাং বন্দরের ইনকামের টাকা তো দেশের কোষাগারে জমা হওয়ার কথা তাই নাহ? যদি দেশের কোষাগারে জমা হয় তাইলে তো ব্যাক্তিগতভাবে আপনি এবং আমি কোন টাকা পাচ্ছি না। এখানেই মূল বিষয় লুকিয়ে আছে, যে কারা পাচ্ছে এই বড় অংকের টাকা। এই বিষয়টা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রভাবের উপর চলে, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে তারা ৬০% পায় এবং বিরোধী দল পায় ৪০%। এই নিয়ম একদম শুরু থেকে হয়ে আসছে এবং এর কোন ব্যাতিক্রম হয়নি। তাহলে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে যা ইনকাম হয় তা যদি রাজনৈতিক নেতাদের পকেটে জায় তাতে তো জোনগণের কিনবা দেশের কোণ লাভা হোল না। এখন হয়তো আপনিও বুঝে গেছেন আসল রহস্য এবং মনে মনে গালি দিচ্ছেন হায় হায় এটা কি সুনলাম, আসলে আমি তো এই বিষয়ে আগে কখনো ভেবে দেখিনি বাঁ চিন্তাও করিনায়। জি হ্যাঁ এটাই সত্য এবং বাস্তব।
এখন আসুন চট্টগ্রামের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে ডেনমার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এ.পি.এম টার্মিনালস ও পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনালে পরিচালনা করবে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মেডলগ সুতরাং চুক্তি অনুসারে লালদিয়া টার্মিনালে ৩০ বছর এবং পানগাঁওয়ে ২২ বছর ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকবে এই প্রতিষ্ঠান দুটি। এখান থেকে যে ইনকাম হবে সেটা কোন রকম কারচুপি ছাড়ায় দেশের কোষাগারে জমা হবে এবং দেশের কাজে লাগবে।
তাহলে এবং আপনিই বিচার করুন চট্টগ্রাম বন্দর লিজ দিলে ক্ষতি নাকি লাভ হবে? আসলে আমরা কোন কিছু না বুঝে এবং চিন্তা ভাবনা না করেই সবকিছুর বিচার করে ফেলি, যাতে মূর্খতা এবং ক্ষতি ছাড়া কিছুই প্রকার পায় না।
যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় এবং ভাইভায় সাধারণ জ্ঞানের জন্য ভালো নাম্বার বরাদ্দ থাকে। সাধারণের জ্ঞান একটা সাধারণ বিষয়। যদিও অনেকেই সাধারণ জ্ঞানকে অনেক কঠিন হিসাবে নেয় এবং ভয় পাই। সাধারণ জ্ঞান ছাড়া চাকরি পাওয়া সম্ভব না। যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানের জন্য নাম্বার বরাদ্দ থাকে আর ভাইভা তো সাধারণ জ্ঞান ছাড়া কল্পনাই করা যায় না।
বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী, ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যথাক্রমে ৩০,২০ ও ১০ নম্বর বরাদ্দ থাকে। একটু সচেতন হলেই সাধারণ জ্ঞানের এই ৬০ নম্বর হবে আপনার প্রধান অস্ত্র। এছাড়া বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী থেকে যথাক্রমে ২০০ ও ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকে। এছাড়া বাংলা ও ইংরেজি লিখিত পরীক্ষায় যে ৪০ ও ৫০ নম্বরের রচনা, প্রবন্ধ লিখতে হয় তা সাধারণ জ্ঞান নির্ভর।
এছাড়া ব্যাংক জব পরীক্ষায় ফোকাস রাইটিং অংশে সাধারণ জ্ঞান নির্ভর প্রশ্ন থাকে। সরকারি, বেসরকারি যেকোন চাকরিতে সাধারণ জ্ঞানের বিকল্প নেই। অন্যান্য বিষয়ে প্রচুর জ্ঞান থাকলেও সাধারণ জ্ঞান, বাংলাদেশ বিষয়াবলি সম্পর্কে জ্ঞান কম থাকলে চাকরি পাওয়া দূরহু ব্যাপার হয়ে যায়। তাই আসুন জেনে নিই কীভাবে বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা যায়।
নিয়মিত পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করতে হবে। পত্রিকার আন্তর্জাতিক পাতা,সম্পাদকীয় পাতা,অর্থনীতি পাতা ছাড়াও প্রথম ও শেষ পাতা পড়তে হবে।
সিএনএন, বিবিসি, আল-জাজিরা প্রভৃতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে চোখ রাখতে হবে। দেশ বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বিশ্লেষণ করে নিজের মতামত দেওয়া শিখতে হবে।
নিয়মিত ক্যারেন্ট আ্যফেয়ার্স পড়তে হবে।কোথাও কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলে তা নোট করে রাখতে হবে।
কোন বিষয়বস্তু কঠিন হলে তা মনে রাখার জন্য ছন্দ বা সূত্র বানিয়ে মুখস্থ করা যেতে পারে। এছাড়া আপনার পরিচিত কোন বিষয় বা নামের সাথে মিলাতে পারেন।
যেমন আপনার পরিচিত কোন সিরাজুদ্দৌলার নামের সাথে মিলাইয়ে নবাব সিরাজুদ্দৌলার বিষয়বস্তু মনে রাখতে পারেন, এতে ব্রেন তাড়াতাড়ি কাজ করে।
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার তারিখ ও সাল মনে রাখতে হবে।
বাংলাদেশ ও বিশ্বের দুটি মানচিত্র সাথে রেখে মাঝে মাঝে চোখ বুলাবেন।
ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজ থেকে সাধারণ জ্ঞানের নিয়মিত আপডেট পেতে পারেন।
সহায়ক গ্রন্থ হিসেবে সংবিধান, অষ্টম, নবম, দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়,নবম- দশম শ্রেণির ভূগোল, ইতিহাস,ও বিশ্বসভ্যতা বই পড়তে পারেন।
এছাড়া বাজারের বিভিন্ন ধরণের সাধারণ জ্ঞানের গাইড, পত্রিকা প্রশ্ম ব্যাংক পড়তে পারেন।
বিভিন্ন সেমিনার, কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করতে পারেন।এছাড়া বন্ধুবান্ধবদের সাথে তথ্যভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে সাধারণ জ্ঞান বাড়ে।
জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরার জন্য সিভি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কলেজ লাইফ থেকে শুরু করে চাকরি, রাজনৈতিক কারণে সবজায়গায় সিভি লিখতে হয়। সিভি লেখার নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। নিয়ম না জানার কারণে অনেক সময় সিভি বাতিল হয়ে যাই। অনেক সময় অনেকেই সিভি লেখার নিয়ম না জানার কারণে হুবুহু অন্যের জীবনবৃত্তান্ত কপি করে জমা দেই, যার ফলে সিভি গহণযোগ্য হয় না।সিভি আপনি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন নাকি অন্যের টা কপি করে পাঠক একপলক সিভি দেখলেই বুঝতে পারবেন। অন্যের সিভি আর আপনার সিভি কখনও এক হতে পারে না। কোন প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি চাকরি দেওয়ার আগে প্রার্থীর সিভি দেখে তার সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যায়। চাকরি দাতা নিশ্চয়ই তাকে চাকরি দিবে না যে নিজের সিভি লিখতে পারে না। সময় থাক-তে আসুন জেনে নিই কিভাবে সিভি লিখতে হয়।
সিভিকি: আসুন প্রথমে জেনে নিই সিভি বলতে কী বোঝায়। সিভির পূর্ণ রূপ হচ্ছে Curriculum Vitae বা জীবন বৃত্তান্ত।বর্তমানে বেশীরভাগ সিভি ইংরেজিতে লেখা হয় তবে অনেক সময় বাংলায় ও সিভি লেখা হয়।সিভি মূলত ২/৩ পৃষ্ঠার জীবন বৃত্তান্ত যেখানে আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, নাম, ঠিকানা সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় উল্লেখ থাকে। শুধু চাকরির ইন্টারভিউ নয় একাডেমিক ও রাজনৈতিক বিষয়েও সিভি লাগে।
সিভিতেকোনকোনবিষয়উল্লেখকরবেন: কাজের ধরন অনুসারে সিভি ভিন্ন হতে পারে। তবে ব্যাসিক কিছু ইনফরমেশন আছে যেগুলা সব সিভিতে একরকম থাকে। অপ্রয়োজনীয় ইনফরমেশন দিয়ে সিভি বড় করার দরকার নাই। কারণ আপনি যত সংক্ষেপে নিজের মূল ইনফরমেশন তুলে ধরতে পারবেন আপনার সিভি তত স্মার্ট ও আকর্ষণীয় হবে।
যেসব বিষয় সব ধরনের সিভিতে লাগে সেগুলো আলোচনা করা হলো
পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা: আপনি যে পেশার জন্য আবেদন করেছেন সে পেশায় পূর্ব কোন অভিজ্ঞতা আছে কিনা বা এ ধরনের কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে কিনা তা লিখতে হবে।
শিক্ষাগতযোগ্যতা : শিক্ষাগত যোগ্যতা সিভির একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।স্কুল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত আপনার যত একাডেমিক সার্টিফিকেট আছে সব গুলো পরিষ্কারভাবে লিখতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, বিভাগ,গ্রেড,বোর্ড সব কিছু পরিষ্কারভাবে লিখতে হবে।এছাড়া আপনি কোথাও ইন্টার্ন করার অভিজ্ঞতা থাকলে লিখতে হবে। জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোন সম্মেলনে অংশগ্রহণ করলে সনদ থাকলে তা উল্লেখ করতে পারেন।শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে যেসব বিষয় উল্লেখ করতে হবে..
ভাষাগতদক্ষতা: আমাদের দেশে সাধারণত বেশিরভাগ চাকরিতে বাংলার সাথে সাথে ইংরেজি জানা বাধ্যতামূলক ।এক্ষেত্রে আইএলটিএস বা টোয়েফলে অংশ নিলে তার স্কোর উল্লেখ করতে হবে। অন্য কোন ভাষা জানা থাকলে সেগুলোও উল্লেখ করতে হবে।
কম্পিউটার – দক্ষতা: বর্তমান অধিকাংশ চাকরিতে কম্পিউটার জানা বাধ্যতামূলক। সবচাকরিতেকম্পিউটারেরব্যাসিকজানতেহয়।আইটিবিষয়েরচাকরিহলেকম্পিউটারেরসববিষয়েউল্লেখকরতেহবে।কম্পিউটারদক্ষতাহিসেবেযেবিষয়গুলোউল্লেখকরতেহবেসেগুলোহলো :
সিভিলেখার বর্জনীয় বিষয়: চাকরি পাওয়ার প্রথম ধাপ হচ্ছে সিভি।সঠিকভাবেসিভিলিখতেনাপারলেচাকরিদাতারনেগেটিভধারণাহয়।নির্ভূলভাবেসিভিলেখারজন্যকয়েকটিবিষয়বর্জনকরতেহবে।
কোন ফন্টে এবং কোন ফন্ট সাইজ ব্যবহার করবেন : আপনার সিভিকে আরও প্রফেশনাল করে তুলতে Arial,Caliberi, Times new Romans ফন্ট ব্যবহার করতে পারেন। নরমাল লেখাগুলোতে ১০-১২ সাইজ এবং যেগুলো হাইলাইট করা উচিত সেগুলো ১৪-১৫ সাইজ ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া হাইলাইট গুলো Bold বা Italic করা যেতে পারে।
Spelling and Gramer: সিভি অবশ্যই নির্ভূল এবং সঠিক শব্দযোগে তৈরী করতে হবে। এজন্য বার বার বানান চেক করতে হবে।
আপনি কি ভাইভা বোর্ডে ভালো করে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারছেন না? ভাইভা বোর্ডে নার্ভাসনেস এর কারণে আপনার কাঙ্ক্ষিত চাকরি হারাচ্ছেন?।
অনেক সময় অনেকেই যোগ্যতা থাকার সত্ত্বেও ভাইভা বোর্ডে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারে না। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ভালো ফলাফলের পাশাপাশি স্মার্টনেস,আকর্ষণীয় বাচনভঙ্গি, নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।অনেকেই ভাইভা বোর্ডে ঢুকে নিজের অজান্তেই নিজেকে অযোগ্য প্রমাণ করে আসেন । সেক্ষেত্রে নিয়োগকর্তারা ২-৩ টি সৌজন্যমূলক প্রশ্ন করে বিদায় দিয়ে দেন।ভাইভা বোর্ডে অনেক নিয়মকানুন আছে। পোশাকও অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ভাইভা বোর্ডে ভালো করার জন্য তাই জেনে নিন কিছু কৌশল।
ভাইভা বোর্ডের নিয়ম কানুন
জীবনবৃত্তান্ত ভালো হওয়া চাই:
ভাইভা শুরু করার আগে জীবনবৃত্তান্ত চাওয়া হতে পারে। জীবনবৃত্তান্ত দেওয়ার সময় ভাষার ব্যবহার এবং বানান খেয়াল রাখতে হবে। ভালো অর্জনগুলো আগে দেখাতে হবে। অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে। মিথ্যা তথ্য দিলে নিয়োগকর্তারা নিয়োগ দেওয়ার পরে জানলেও চাকরি চলে যেতে পারে।
দরকারি কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন :
ভাইভা বোর্ডে আপনার শিক্ষাগত কাগজপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে রখুন।আবেদনের সময় আপনার কাগজপত্র জমা দেওয়া থাকলেও নিয়োগকর্তারা যেকোনো সময় যেকোনো ডকুমেন্টস দেখতে চাইতে পারে।এছাড়া একটা পেন,জীবনবৃত্তান্ত ,সাদা কাগজ সাথে রাখবেন। সুন্দর ও পরিপাটি ফাইলে কাগজপত্র রাখুন আর ফাইল টেবিলে না রেখে নিচে অথবা হাতে রাখা ভালো।
ক্লান্তি ভাব ঝেড়ে ফেলুন :
ভাইভা বোর্ডে ক্লান্তি ভাব দূর করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে। অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে ভাইভা বোর্ডে আসতে ঘাম শুরু হয়।নিজেকে সতেজভাবে উপস্থাপন করতে অত্যন্ত আধা ঘণ্টা আগে ভাইভা বোর্ডে পৌছানোর চেষ্টা করবেন। এছাড়া সারারাত জেগে পড়ার কারণে ক্লান্ত ভাব আসে। নিজেকে একটিভ ভাবে প্রকাশ করার জন্য ভাইভার আগের রাতে ভালোমত ঘুমিয়ে সকাল ফ্রেশ হয়ে ভাইভা বোর্ডে যাওয়া উচিত।
নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকা:
ভাইভা বোর্ডে সঠিকসময়ে পৌছানো নিয়মানুবর্তিতার পরিচয়।অনেক সময় অনেকেই সময়ের পর ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত হন যা তার অযোগ্য প্রমাণ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। ভাইভা বোর্ডে দেরি করে গেলে নিয়োগকর্তা আপনার ভাইভা নাও নিতে পারেন।তাই ভাইভা বোর্ডে সঠিক সময়ে পৌছানো অতি জরুরী।
ভাইভার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন আঞ্চলিকতা না আসে। অনেকের কথায় কথায় আঞ্চলিকতা চলে আসে এটা নিয়োগকর্তারা বুঝতে পারে না বুঝলেও অগ্রাহ্য করে। তাই কথা বলার সময় শুদ্ধ করে উচ্চারণ করতে হবে,ইংরেজি উচ্চারণেও সচেতন হতে হবে।
প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা নিন:
যে প্রতিষ্ঠানে ভাইভা দিতে যাচ্ছেন তার সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে যাবেন। অনেক সময় নিয়োগকর্তারা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে প্রশ্ন করে। সম্ভব হলে ভাইভা বোর্ডে কারা থাকবে তাদের সম্পর্কে জেনে যাওয়াও ভালো।
ধুমপান করে ভাইভা দিতে যাবেন না:
ভাইভার আগে ধুমপান থেকে বিরত থাকা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। ভাইভার সময় যদি নিয়োগকর্তারা আপনার মুখ থেকে সিগারেটের গন্ধ পায় তারা চরম বিরক্ত হবে এবং আপনাকে অভদ্র মনে করবে। ধুমপান করে ভাইভা দেওয়া অযোগ্য হওয়ার একটা প্রমাণ ।
সংক্ষেপে ও হেসে উত্তর দিন :
ভাইভা বোর্ডে শুধু যে প্রশ্ন করা হয়েছে শুধু সে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে ভাইভা যেমন দীর্ঘায়িত করা যাবে না তেমনি গোমড়ামুখো হয়ে বসে থাকা যাবে না। নিয়োগকর্তারা যেমন বেশি কথা পছন্দ করে না তেমনি গোমড়ামুখোও পছন্দ করে না।
উত্তেজিত হওয়া যাবে না :
ভাইভা বোর্ডে অনেক সময় মানসিক স্থিতিশীলতা, সমস্যা সমাধানের যোগত্যা পরীক্ষার জন্য অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করে থাকে রসময় মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।অনেক সময় আপনার ধৈর্য্য পরীক্ষার জন্য এক সাথে অনেকগুলো প্রশ্ন করবে এ সময় কোনভাবেই মাথা গরম করা যাবে না।
বিনীত ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করুন :
বিণীত ভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় সোজা হয়ে দিতে হবে। চেয়ারে হেলান না দিয়াই উত্তম,এতে চাকরি প্রার্থী সম্পর্কে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হয়।ভাইভা শেষে হাত মেলাতে পারেন তবে অবস্থা বুঝে।
রুটিনমাফিক কাজ করুন :
যেকোনো ভাইভাতে পূর্ব প্রস্তুতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই ভাইভার পূর্বে নির্দিষ্ট রূটিন তৈরি করে প্রস্তুতি নেন।দরকার হয় ।ভাইভার আগে দরকার হয় আয়নার সামনে প্রাক্টিস করুন।
মুদ্রাদোষ পরিহার করুন :
অনেকের অনেক ধরনের মুদ্রা দোষ থাকে। যেমন এক কথা বার বার বলা, কথার শেষে বিভিন্ন শব্দ করা অথবা অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা,তোতলানো, পা ঝাকানো,জিভ কামড়ানো, নাকে হাত দেওয়া আরও অনেক কিছু। ভাইভা এ ধরনের মুদ্রাদোষ অনেক বিরক্তিকর। তাই এধরনের কোন সমস্যা থাকলে ভাইভার আগে তা পরিহার করার চেষ্টা করুন।
নিজের সাবজেক্ট সম্পর্কে ধারণা রাখা:
আপনি যে সাবজেক্টে অনার্স-মাস্টার্স করেছেন সে সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখতে হবে। নিয়োগকর্তারা সাবজেক্ট সম্পর্কে প্রশ্ন করলে আপনি না পারলে তা দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিবে।
নিজের নাম ও জন্মস্থান সম্পর্কে খুঁটিনাটি জানা:
আপনার নামের অর্থ এই নামের বিখ্যাত মানুষ সম্পর্কে জ্ঞানার্জন। এছাড়া জন্মস্থানের নামকরণ,ইতিহাস,জনসংখ্যা, ঐতিহাসিক স্থান, প্রধান কৃষিজ পণ্য ইত্যাদি সম্পর্কে মুখস্থ করতে হবে।
মিথ্যার আশ্রয় নিবেন না:
ভাইভার সময় নিজের যোগ্যতা সম্পর্কে কোন মিথ্যা কথা বলবেন না।মিথ্যা আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। মিথ্যা ধরা পড়লে আপনি ত চাকরি পাবেনই না আবার চাকরি পাওয়ার পর ধরা পড়লেও বিপদ।
পোশাক নির্বাচন
কী ধরনের ড্রেস কোড অনুসরণ করতে হবে:
উপরের বিষয়গুলো ছাড়াও চাকরির ভাইভাতে আর একটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হচ্ছে পোশাক । ভাইভাতে আলাদা ড্রেস কোড আছে যেগুলা না মানলে চাকরির জন্য টেকা কঠিন হয়ে পড়ে।
কেমন পোশাক পরবেন:
চাকরির ইন্টারভিউতে ফরমাল ও মানানসই পোশাক পরতে হয় । বেশি কালারফুল ড্রেস পরা উচিত নয়। ছেলেরা সাদা সার্ট, কালো প্যান্ট, কালো সুজ পরতে পারেন। মেয়েরা শাড়ি সহ সালোয়ার কামিজ অথবা প্যান্ট শার্ট পরতে পারেন তবে অবশ্যই ফরমাল হতে হবে।
কি কি পোশাক পরবেন না:
ভাইভাতে টি-শার্ট, জিন্স, ফতুয়া পরা যাবে না। এছাড়া জাকজমকপূর্ণ জামাকাপড় পরা যাবে না।
কি রঙের পোশাক পরবেন:
চাকরির ইন্টারভিউতে সাদা, গাড় ধূসর, গাড় নীল, বাদামী বা কালো পোশাক পরা ভালো । এগুলোর মধ্যে আপনার রুচির সাথে মিলে সেটা পরে যেতে পারেন।
কেমন হবে সুজ:
ছেলেরা কালো রঙের সুজ পরতে পারেন । তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন বেশি স্ট্যাইলিশ না হয়।মেয়েরা হাই হিল এড়িয়ে চলাই ভালো । তবে খেয়াল রাখতে হবে জুতাই যেন হাটলে শব্দ না হয়।
আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে :
ছেলেদের চুল ছোট রাখতে হবে,মেয়েদের অতিরিক্ত মেকআপ করা যাবে না।সর্বপরি, পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন ভাবে ভাইভা দিতে যেতে হবে।
ভাইভাতে বর্জনীয় বিষয়:
কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো ভাইভার সময় অবশ্যই বর্জন করতে হবে যদি ভালোভাবে ভাইভা দিতে চান।বর্জনীয় বিষয়গুলো হলো:
বিদখুটে ধরনের পোশাক ও গাড় রঙের চশমা পরিহার করা।
ভাইভা বোর্ডে হাই তোলা ও দাঁত খোঁচানো।
ভাইভা বোর্ডে গাঁ চুলকানো, অযাথা হাত- পা নাড়ানো ইত্যাদি।
মনোযোগ দিয়ে কথা না শোনা ও কথার মাঝখানে কথা বলা।
ভাইভার আগে যদি উপরের বিষয়গুলো জেনে নেন, তবে ভালোভাবে ভাইভা দিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
কাজের প্রয়োজনে অনেক সময় আমাদের দরখাস্ত লিখতে হয় হোক সেটা ইংরেজি অথবা বাংলা। আবেদনপত্র যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমে। মানুষ সামাজিক জীব। সমাজে বসবাস করতে মানুষে মানুষে যোগাযোগ অত্যাবশকীয়। যোগাযোগ ছাড়া যেন সব কিছু অর্থহীন। স্কুল, কলেজে এমনকি চাকরির জন্য আমাদের দরখাস্ত লিখতে হয়। পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক,ব্যবসায়িক সকল ক্ষেত্রে পত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নয় আমরা অফিস আদালতেও পত্র লিখে থাকি যেটাকে আবেদন পত্র বা দরখাস্ত বলে।যদিও বিজ্ঞানের যুগে ই-মেইল,মেসেজ এগুলার ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে, তারপরও দরখাস্ত যোগাযোগের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমে। প্রতিনিয়ত আমরা দরখাস্ত লিখে থাকি। কিন্তু অনেক সময় আমরা দরখাস্ত বা আবেদনপত্র সঠিকভাবে লিখতে পারিনা। সঠিক নিয়মের অভাবে আমাদের দরখাস্তটি গ্রহনযোগ্য হয়না, বাতিল হয়ে যাই। দরখাস্ত একটি অফিসিয়াল পত্র, যার কারণে সঠিক নিয়ম অনুসরণ না করলে আমরা যে উদ্দেশ্যে দরখাস্ত লিখি সেটা অর্জন করতে পারিনা।অনেক সময় দরখাস্ত লিখার নিয়ম না জানার কারণে অভিজ্ঞ মানুষের নিকট থেকে সাহায্যের প্রয়োজন পড়ে।বিশেষ করে চাকরি প্রার্থীদের সঠিক নিয়মে দরখাস্ত না লিখতে পারলে সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক মানুষের দেখা যাই চক্ষুলজ্জায় মানুষের থেকে এ বিষয়ে পরামর্শ নিতে লজ্জা পায়। ফলে সুনির্দিষ্ট কোন বিশয়ে দরখাস্ত লিখতে সমস্যার সম্মুখীন হয়। দরখাস্ত লেখার অনেক ফরমেট রয়েছে। মূলত কাজের ধরন অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন দরখাস্ত হয়ে থাকে। সঠিক নিয়ম আয়ত্ত করতে পারলে যেকোনো দরখাস্ত লেখা সম্ভব। আপনাদের সাথে আজ আলোচনা করব কীভাবে সঠিকভাবে দরখাস্ত লেখা যাই। আশা করি নিচের নিয়ম গুলোকে সঠিকভাবে অনুসরণ করলে সঠিকভাবে দরখাস্ত লিখতে আপনাদের কোন সমস্যা হবে না।
দরখাস্তলেখারনিয়মাবলি: দরখাস্ত লেখার কিছু নিয়ম আছে,যেগুলো ছাড়া সঠিকভাবে দরখাস্ত ল্রখা যাই না। যেকোন ধরনের দরখাস্ত হোক না কেন নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে
প্রাপক( যার কাছে আবেদন করছেন তার নাম,পদবি ও ঠিকানা)
আবেদনের বিষয়।
সম্ভাষণ / জনাব / স্যার / ম্যাডাম ইত্যাদি।
আবেদনের বিষয়টির গঠনমূলক বর্ণনা।
আবেদনকারীর নাম, পদবি, ঠিকানা।
আবেদনের তারিখ।
কিছু কিছু ভুল বা ত্রুটির কারণে দরখাস্ত বাতিল হয়ে যাই।তাই দরখাস্ত লেখার সময় আমাদের যথেষ্ট সর্তক থাকতে হবে। শন্দ চয়ন ও দরখাস্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।নিচে কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো সেগুলোর কারণে আপনার গুরুত্বপূর্ণ আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যেতে পারে।
নির্দেশমত ফটো না দিলে
নির্দিষ্ট জায়গায় স্বাক্ষর না দিলে
ঠিকমতো পেশাগত বা শিক্ষাগত যোগ্যতা না দিলে
আবেদনের যথাযথ ফি না জমা দিলে
অভিজ্ঞতা চাওয়া হলে না দিলে
দরখাস্তের নির্ধারিত ফরম্যাট না অনুসরণ না করলে
বয়স ঠিকমতো না দিলে
দরখাস্তের নির্দিষ্ট ফরম পূরণ না করলে
প্রামাণপত্রাদি চাইলে তা সঠিকভাবে উপস্থাপন না করলে
সংরক্ষিত পদের জন্য অসংরক্ষিত কেউ এবং অসংরক্ষিত পদের জন্য সংরক্ষিত কেই আবেদন করলে
যোগ্যতা, কাস্ট সার্টিফিকেট যে তারিখের ভেতর পূরণ করার কথা সেয় তারিখে পূরণ না করলে
কর্তৃপক্ষেরবিবেচনারওপরনির্ভরকরবেকোনকোনক্ষেত্রে :
একই ব্যক্তি একাধিক দরখাস্ত করলে বা নিষধ থাকার সত্ত্বেও আবেদন করলে।
অভাররাইট বা কাটাকাটি থাকলে।
সাদা-কালো ছবির পরিবর্তে রঙিন বা রঙিন ছবির পরিবর্তে সাদা-কালো ছবি দিলে এবং ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড, ধরন নির্দেশমত না দিলে।
সার্টিফিকেট নিজের নাম,মা- বাবার নামের সাথে দরখাস্তে দেওয়া নামের মিল না থাকলে।
সার্টিফিকেটর বয়্রসের সাথে দরখাস্তে দেওয়া বয়সের মিল না থাকলে।
নিজের নাম লেখা,ঠিকানা লেখা ও ডাকটিকেট সাঁটা খাম চাওয়ার স্বত্তেও না দিলে।
কোন কিছু সুতা দিয়ে গাঁথার বদলে পিন বা স্টেপল করে দিলে।
দরখাস্ত লিখে বা অনলাইন প্রিন্টআউট সাধারণ ডাকটিকিটে প্রেরণ এর কথা বলা থাকলেও কুরিয়ার / রেজিস্টার্ড/ স্পীড পোস্ট করলে।
ফরম কালো কালিতে পূরণ এর কথা বলা থাকলেও নীল কালি বা অন্য কালি ব্যবহার করলে।
দরখাস্ত লেখার সময় শব্দের মধ্যে যথাযথ স্পেস ব্যবহার না করলে
ভুলত্রুটি এড়িয়ে কীভাবে শুদ্ধভাবে দরখাস্ত লেখা যায় :
দরখাস্ত লেখা থেকে পাঠানোর আগ পর্যন্ত যে তথ্যগুলো প্রয়োজন সেগুলো একটা তালিকা কিরে নিলে পরে ভুল হওয়ার সম্ভবনা কম থাকে।
ওভার রাইটিং বা কাটাকাটি এড়াতে আগে একটা খসড়া করে নেওয়া যেতে পারে।
সময় আছে ভেবে দরখাস্ত না লিখে ফেলে রাখলে শেষ টাইমে ভুল হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। তাই সময় থাকতে দরখাস্ত লেখা উচিত।
দরখাস্তে অবশ্যই সঠিক তথ্য দিতে হবে।
দরখাস্ত পাঠানোর সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন নির্ধারিত সময়ে পৌছাতে পারে।
চাকরিরদরখাস্তলেখারনিয়ম: চাকরির আবেদনপত্রের মাধ্যম্যে চাকরি প্রত্যাশীর ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায়। আমরা অনেকেই বিশেষ করে নতুন গ্রাজুয়েশন শেষ করেছে সঠিকভাবে দরখাস্ত লিখতে পারিনা। বর্তমান আধুনিক যুগে দরখাস্ত হলো পরীক্ষকের আকৃষ্ট করার হাতিয়ার। চাকরির দরখাস্ত লিখতে যেগুলো বিবেচনা করতে হবে সেগুলো হলো:
যে প্রতিষ্ঠানের জন্য আবেদন লিখবেন সেই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, কাজ,ধরন,চাকরী প্রত্যাশী ও প্রতযোগীদের ধরণ সম্পর্কে তথ্য জানা উচিত।অবশ্যিই চাকরির আবেদনপত্র লেখার আগে বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ে নিবেন, দরখাস্তে বিজ্ঞপ্তির টার্মগুলো ব্যবহারের চেষ্টা করবেন।
কোন পজিশনের জন্য এপ্লাই করছেন সেটা বিষ্যে উল্লেখ করা।
নিজের সম্পর্কে যেমন বানিয়ে বলার কিছু নাই তেমন নিজের দূর্বলতা প্রকাশেরও দরকার নাই।
আপনি যে কাজের জন্য দরখাস্ত লিখছেন আপনি কেন এই কাজের জন্যে যোগ্য সে বিষয়ে সংক্ষেপে কারণ বিশ্লেষণ।
আপনি যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে চান,চাকরি পেলে আপনি ও-ই প্রতিষ্ঠানে কেমন সুযোগ -সুবিধা দিতে পারবেন তা উল্লেখ করা, আপনি কি সত্যিই চাকরিটা করতে আগ্রহী এবং আপনার দ্বারা কাজটি সম্ভব সে বিষয় পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা।
পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য সুন্দর ও সাবলীল বাক্য দিয়ে দরখাস্ত শুরু করুন।
অনেকেই দরখাস্তে লিখেন চাকরি টা পেলে আপনি ধন্য। এধরণের কিছু লেখা উচিত না কারণ পাঠক আপনার থেকে এটা জানতে চাইনা,আপনি যোগ্যতা জানতে চাই, সে বিষয়টা কার্যকরভাবে তুলে ধরুন।
কপি পেস্ট থেকে বিরত থাকুন।
একটি চাকুরিতে সিভি যেমন গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনি আবেদনপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। একটি চাকুরিতে সিভি যেমন আপনাকে উপস্থাপন করে সঠিক দরখাস্ত আপনাকে করে তোলে পারফেক্ট। একটি সিভি থেকে প্রতিষ্ঠান চাকরি প্রার্থী সম্পর্কে জানতে পারে কিন্তু দরখাস্ত থেকে আরও ভালো ধারণা নেয়। আমরা যারা সদ্য গ্রাজুয়েশন করেছি অথবা নতুন চাকরি প্রার্থী, তাদের জন্য কীভাবে দরখাস্ত লিখতে হয় এটা যানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। উপরের নিয়মগুলো পড়লে দরখাস্ত লেখার নিয়ম সম্পর্কে জানা যাবে বলে আশা করা যাই।
কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর উপায় না জানা থাকলে একপ্রকার চালক বিহিন গাড়ির মোত, সুতারাং বুস্তেই পারছেন কি বুঝাতে চাইছি। বর্তমান জীবনে কম্পিউটারের গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা কম্পিউটার ছাড়া কল্পনা করা যাই না। ছোট বড় বিভিন্ন কাজের জন্য আমরা প্রত্যেকদিন বিভিন্ন ধরণের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকি। যেকোন পেশার মানুষ হোক না কেন কম্পিউটার ছাড়া যেন পরিপূর্ণতা লাভ করতে পারেনা।গান,মুফি,অফিসিয়াল কাজকর্মে,নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে আমরা কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি।অনেক সময় যাই আমাদের প্রিয় কম্পিউটারটি আগের মত দ্রুত কাজ করতে পারেনা।স্লো হয়ে যাই আমাদের কম্পিউটার। তখন আমরা দুইটি কাজ করে থাকি। কম্পিউটার নষ্ট হয়েছে মনে করে টেকনেশিয়েনের কাছে যাই মেরামতের জন্য অথবা নতুন করে অপারেটিং ইনস্টল করি। তাই আজকের লেখা কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর উপায় নিয়ে। কীভাবে কম্পিউটারের গতি বাড়ানো যাই বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব। আশা করি আপনারা নিম্নে আলোচিত কাজগুলো করলে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের গতি বাড়াতে পারবেন।
Tend file রিমুভকরুন: প্রতিদিনের কাজের ফলে আমাদের কম্পউটারে অনেক টেন্ড ফাইল জমা হয়। টেন্ড ফাইলের কারণেও অনেক সময় কম্পিউটার স্লো হয়ে যাই।
যেভাবে Tend File রিমুভ করবেন: Windows বাটন চেপে ধরে R এ ক্লিক করুন। ডেক্সটপের নিচে যে সার্চ বক্স আসবে সেখানে temp লিখে ok ক্লিক করুন। সবগুলো ফাইল সিলেক্ট করে, ডিলিট করে দিন, কম্পিউটার অনেক দ্রুত হবে। এখানে জমে থাকা সবগুলো ফাইল আবর্জনা, তাই চিন্তার কোন কারণ নেই।
Disk cleanup: প্রতিদিন কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে অনেক সময় কম্পিউটারে অপ্রোয়জনীয় ফাইল জমা হয়ে থাকে যার কারণে কম্পিউটারের গতি কমে যাই। Disk cleanup টুলস ব্যবহার করে এসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করতে পারেন, অথবা c- cleaner সফ্যটয়ারটি ব্যবহার করতে পারেন।
যেভাবেDisk cleanup করবেনঃWindows start> Disk cleanup একে একে সকল ড্রাইভ ক্লিক করুন। c ড্রাইভ ক্লিক করা বেশি জরুরি। একাজটি মাঝে মাঝেই করতে হয়।
Defragment and Optimize Drive: ইউন্ডোজ কম্পিউটারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টুলস। এর সাহায্যে হার্ডডিস্কে এর ডেটাকে কমপ্রেস করে সাজিয়ে রাখা যাই, যার ফলে কম্পিউটারের গতি বেড়ে যাই।
যেভাবেকরবেন: Windows start > Defragment and Optimize Drive ক্লিক করতে হবে। ধাপে ধাপে সবগুলো ড্রাইভে কাজটি করতে হবে।
SSD/ M.2 ব্যবহারকরুন: হার্ডডিস্ক অনেক পুরানো প্রযুক্তি। হার্ডডিস্কের ট্রান্সফার স্পীড অনেক কম কারণ এটি চাকতি ঘুরে ডেটা সরবরাহ করে। হার্ডডিস্কের সর্বোচ্চ গতি ৮০০০ আরপিএম। তাই পিসি যতই হাই কনফিগারেশনের হোক না কেন, হার্ডডিস্কের কারণে গতি কমে যাবে। হার্ডডিস্কের পরিবর্তে SSD/ M.2 ব্যবহার করলে পিসির গতি বেড়ে যাবে।
1 সফট্ওয়ারব্যবহারনাকরা: পিসিতে লাইসেন্স করা বা অরজিনাল সফট্ওয়ার ব্যবহার করা হলে পারফরম্যান্স বেড়ে যাই এবং ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে না।
প্রোগ্রাম আপডেট করুন ও অপ্রোয়জনীয় সফটসফটওয়্যার আনইন্সটল করুন: কম্পিউটার থেকে অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার আনইনস্টল করে কম্পিউটারের গতি বাড়ানো যাই। অতিরিক্ত প্রোগ্রাম কম্পিউটারের র্যাম ও প্রসেসরের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যা কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দেই। অনেক সময় পিসি হ্যাং করে। কম্পিউটারের গতি বাড়াতে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার গুলো আপডেট করুন। কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর উপায় না জানা থাকলে গুগল করে বা বিভিন্ন পোষ্ট পড়ে শিখে নিতে পারেন।
যেভাবেকরবেন : Windows start > Control panel > Programs and Feature থেকে অপ্রোয়জনীয় সফটওয়্যার আনইনস্টল করুন। এগুলা কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দেই।
অটোস্টার্টপ্রোগ্রামবন্ধকরেকম্পিউটারফার্স্টকরেন: এ সমস্যায় অনেক কম্পিউটার ব্যবহারকারী ভোগেন। অনেক সময় কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক অপ্রোয়জনীয় প্রোগ্রাম অটোমেটিক চালু হয়ে যাই ফলে কম্পিউটারের গতি কমে যাই। কম্পিউটারের গতি বাড়াতে অটো স্টার্ট প্রোগ্রাম বন্ধ করতে হবে।
নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম সেট আপ করতে পারেন। অনেক দিন একই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করার ফলে ভাইরাসের কারণে অথবা ক্র্যাসিং ফাইলের কারণে কম্পিউটারের গতি কমে যাই।সে ক্ষেত্রে নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম সেট আপ দিলে কম্পিউটারের গতি বাড়তে পারে।
মাদারবোর্ডে অনেক সময় ময়লা, ধুলা – বালি জমে। এটি কম্পিউটারে ৫০-৭০ % গতি কমিয়ে দেই এবং কম্পিউটারের জন্য খুব ভয়ংকর। তাই নিয়মিত মাদারবোর্ড পরিষ্কার রাখা উচিত। তবে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার পরিষ্কার করার সময় সতর্ক হওয়া উচিত। ভালো হয় যদি সার্ভিস সেন্টারে পরিষ্কার করি
কম্পিউটারের র্যাম, মাদারবোর্ড এবং বাস স্পীডের ওপর অনেকাংশ নির্ভর করে। সুতরাং আপনি চাইলেই র্যাম,প্রসেসর আপডেট করে কম্পিউটারের স্পীড বাড়াতে পারেন। শুধু এ দুইটা আপডেট করলে মাদারবোর্ডে সমস্যা হতে পারে।তাই মাদারবোর্ডের সাথে এ দুইটার কম্পাইল করে আপডেট করতে হবে।
অনেক সময় হার্ডওয়্যার সফটওয়্যারের কম্বিনেশন ঠিক না থাকলে, ককম্পিউটার স্লো হয়ে যাই। যেমন: এন্ড্রয়েড স্টুডিও ওপেন করলে ৪ জিবি র্যামের কম্পিউটারে আপনি আর কোন কাজ করতে পারবেন না।
Browsing history এবং Cooky দূরকরেন: Browsing History এবং Cooky সমূহ র্যামে জমা হয়ে র্যামের গতি কমিয়ে দেই। তাই প্রতিদিন Browsing history এবং Cooky ডিলিট করুন। এজন্য যেকোনো Browser খুলে Shift+ Ctrl+ Delete চেপে সবকিছু Delete করেন।
পিসির পারফরম্যান্স বাড়াতে আরাও একটা ভালো উপায় রয়েছে। তা হচ্ছে Performance option. স্টার্ট মেনুতে যেয়ে লিখে এন্টার দিলে Performance option উইন্ডো ওপেন হবে। সেখান থেকে নিজের মত কাস্টমাইজড performance নির্বাচন করা যাই।
নিয়মিতড্রাইভরিফ্রেশকরুন: পিসিকে সচল রাখতে নিয়মিত ড্রাইভ রিফ্রেশ করুন। এজন্য নিচের কোডটুকু টেক্ট ফাইলে লিখে Refresg.bat নামে সেইভ করুন।প্রতিদিন এটাতে ক্লিক করে ড্রাইভকে সচল রাখুন। Echo off cd/ tree C: tree D: tree E:
মাউসস্পিডবৃদ্ধিকরুন: সহজেই মাউস স্পিড বাড়ানো যাই, যদি মাউস ধীরগতিতে চলে।HKEY > CURRENT > USER>Control Panel মাউসে ডাবল ক্লিক করলে মাউসের গতি বেড়ে যাই।
কম্পিউটারেবেশির্যামযোগকরুন: কম্পিউটারে গতি বাড়ানোর জন্য উচ্চ গতি সম্পন্ন র্যামের বিকল্প নেই। উচ্চ গতিসম্পন্ন র্যাম বেশি যোগ করলে অনেকগুলো প্রোগ্রাম অনায়েসে রান করা যায়।
ভিজ্যুয়ালইফেক্টগুলিসামঞ্জস্যকরুন: কম্পিউটারে অনেক ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট থাকে যেগুলো অনেক তথ্যবহুল। তবে মাঝে মাঝে কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর জন্য ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট বন্ধ রাখতে হয়।
Windows auto update enabled রাখুন: অনেকেই Automatic windows update ফিচারটি disabled করে রাখেন। মনে রাখবেন, windows is update না করলে কম্পিউটার স্লো হয়ে যাই। এক্ষেত্রে নতুন windows সেট আপ না দেওয়া পর্যন্ত কম্পিউটার ফার্স্ট হয় না। তাই কম্পিউটারের গতি সচল রাখতে windows auto update enabled রাখুন।
Recycle Folder খালিরাখুন: যখন আমরা কম্পিউটার বা ল্যাপটপের কোন ফাইল ডিলিট করি, সেগুলো Recycle Folder এ জমা হয়। এভাবে অনেক ফাইল জমা হওয়ার কারণে কম্পিউটারের গতি কমে যাই। তাই কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ফার্স্ট রাখার জন্য Recycle folder খালি রাখুন।
ব্রাউজারপরিবর্তনকরুন: অনেক ব্রাউজার আছে যেগুলা অধিকতর দ্রুত। যেমন, Chrome র্যমের সিংহভাগ দখল করে রাখে একাধিক ট্যাব চালু রেখে। Safari ব্রাউজার অধিক দ্রুত কাজ করে।
স্টার্টআপ প্রোগ্রাম আনইন্সটল করুন: এই প্রোগ্রামটি কম্পিউটার চালু হাওয়ার সাথে সাথে নিজে নিজে background এ শুরু হয়ে যাই। যেমন, Analog clock, antivirus software, news feed ইত্যাদি। যার ফলে কম্পিউটারের কাজ করার প্রক্রিয়া স্লো হয়ে যাই।তাই এই প্রোগ্রামটি আনইন্সটল করা অতি জরুরী।
কম্পিউটারহার্ডওয়্যারআপগ্রেডকরাযেতেপারে।
ডাউনলোড ফোল্ডার আপ করুন:
File Explorer উইন্ডোজে সবচেয়ে ব্যবহৃত হয়। এটি চালু করতে যদি প্রতিবারই লোডিং বার চেক করতে হয়, তাহলে ডাউনলোড ফোল্ডার অপটিমাইজেশন ই উপযুক্ত ব্যবস্থা।
কম্পিউটার ছাড়া আমাদের দৈনন্দিন জীবন অচল তাই কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর উপায় জানা খুবই জুরুরী। আমাদের বেশীর গুরুত্বপূর্ণ কাজ আমরা কম্পিউটারের মাধ্যমে করে থাকি। কিন্তু কাজ করতে করতে যখন দেখি কম্পিউটার অনেক স্লো হয়ে গেছে, তখন আমাদের অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়। তাই ঝামেলা এড়াতে, কম্পিউটারের গতি ফিরে পেতে উপরের টিপসগুলো ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন বলে আশা করা যাই।
গুলশান এর সকল থানার জরুরী ফোন নাম্বার 2121 সালে নতুন আপডেট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হলো। গুলশান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি অভিজাত এলাকা। এর চারদিকে উত্তরা, বারিধারা, বাড্ডা, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা রইছে।
এটি ২টি অংশ ১ ও ২ নামে পরিচিত।
গুলশান ১
একথা সত্য যে গুলশান এখন ঢাকার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা হয়ে উঠেছে। তবে মেইন রোড থেকে একটু ভেতরের দিকে গেলেই দেখা মেলে চমৎকার একটি বাসযোগ্য কমিউনিটির। গুলশান ১ এবং সংলগ্ন নিকেতন বসবাসের জন্য খুবই শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসাবে স্বীকৃত। বাচ্চাদের জন্য যেমন আছে স্কুল, সেই সাথে আছে অফিস-ব্যাংক এবং বিপণী বিতান। আছে নানান ব্র্যান্ডের শপ। একটি আবাসিক এলাকার সকল সুবিধা এখানে উপস্থিত। নিকেতন এমন একটি হাউজিং প্রজেক্ট যেখানে মোটামুটি আশপাশের সবাই সবাইকে চেনে। ফলে সমমনা মানুষের মধ্যে গড়ে উঠে চমৎকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক।
গুলশান ২
এ বেশিরভাগই বিদেশী দূতাবাস বা অফিস সমূহের অবস্থান। ঢাকার অন্যতম গাছপালা শোভিত এই এলাকা যদিও একটি আবাসিক এলাকা হিসেবে উল্লিখিত কিন্তু বর্তমানে এটি প্রায় বাণিজ্যিক এলাকায় পরিণত হয়েছে। পরিকল্পনা করা হয়েছিল একটি সাজানো গোছানো আবাসিক এলাকা হিসাবে। সেই সাজানো গোছানো ভাবটি ঠিকই আছে কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে এটি একটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা। ছোট বড় সবধরনের প্রতিষ্ঠানের অফিস আছে এই এলাকায়। মেইন রোড ধরে এগুলোই আপনি সিটিস্কেপ টাওয়ার, গ্লাস হাউজ, ক্রিস্টাল প্যালেস বা পুলিশ প্লাজার মত সুবিশাল ও সুউচ্চ ভবন দেখতে পাবেন। শুধু বড় বড় বাণিজ্যিক ভবনই নয় বরং দেশের সবচেয়ে অভিজাত এবং বিলাসবহুল বাংলো বা ভিলার দেখাও মিলবে এই গুলশান।এছাড়া তা অবস্থিত ঠিক গুলশান ১ এর পাশেই। গুলশান১ এ আরো আছে শুটিং ক্লাব। এটি অবশ্য যারা প্রফেশনাল সুটার তাদের জন্যই উপযুক্ত।
লাল চিনি খাওয়ার উপকারিতা লাল চিনি একটি শর্করা জাতীয় খাদ্য যা আমাদের দেহের শক্তি জোগান দেয়। আমারা প্রধাণত আখ,মিষ্ট বিট হতে চিনি পায়।সাদা চিনি মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সাদা চিনি নিয়মিত গ্রহণ করলে হৃদরোগ,ডায়বেটিস, ব্লাড প্রেশার ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়। তাই সাদা চিনিকে বলা হয় হোয়াইট পয়জন। উন্নত দেশে সাদা চিনির পরিবর্তে লাল চিনি বা Brown sugar ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।এক চামচ সাদা চিনিতে ১৬ কিলোক্যালোরি ও এক চামচ লাল চিনিতে ১৭ কিলোক্যালোরি খাদ্যশক্তি থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে এ ব্যাপারে এখনও সচেতনতা তেমন একটা বৃদ্ধি পায়নি। বাংলাদেশে লাল চিনি হিসেবে যা পাওয়া যায় তা হচ্ছে সাদা চিনির সাথে চিটাগুড়ের মিশ্রণ। এর দাম ও অনেক বেশী। সাদা চিনি তামাক, এলকোহলের মত আসক্তি সৃষ্টি করে। সাদা চিনি যত খাওয়া হয় এটি তত ব্রেইনকে উদিপ্ত করে আরও বেশি খাওয়ার জন্য। সাদা চিনি খাওয়ার ফলে গ্রেলিন, লেপটিন, ডোপামিন ইত্যাদি হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্থ করে যা ব্রেইনে আমাদের ক্ষুধার অনুভূতি বাড়িয়ে দেই।
সুন্দর পরিষ্কারের জন্য সাদা চিনি বিখ্যাত হলেও পুষ্টিগুণের দিক দিয়ে লাল চিনি বেশি উপকারী। মোলেসেস নামক উপাদানের জন্য লাল চিনির রং বাদামি বা লাল হয়। এই মোলাসেস আখ থেকে চিনি উৎপাদনের সময় উপজাত হিসেবে ত তৈরী হয়। লাল চিনিতে প্রায় ৩.৫ শতাংশ মোলাসেস থাকে। যে চিনি যত বেশি প্রকিয়াজাত করা হয় সে চিনিতে তত মোলাসেস কম থাকে এবং সাদা হয়। এজন্য লাল চিনি অপেক্ষা সাদা চিনি বেশি উন্নত এবং প্রাকৃতিক।
মিরপুর এর সকল থানার ফোন নাম্বার 2121 সালের নতুন ফোন নাম্বার এর লিস্ট । মিরপুর ঢাকা শহরের একটি থানা। এর উত্তরে পল্লবী থানা, দক্ষিণে মোহাম্মদপুর থানা, পূর্বে কাফরুল ও পল্লবী থানার একাংশ এবং পশ্চিমে সাভার উপজেলা অবস্থিত। মোঘল আমলের ঢাকার অনেক আভিজাত লোকের নামের আগে মীর শব্দটি ব্যবহৃত হতো। ধারণা করা হয় কোন মীরের ভূ সম্পত্তির অন্তর্গত ছিল এলাকাটি, যা পরে মীরপুর বা মিরপুর নামে পরিচিতি লাভ করে। প্রায় 2,২০,৩২৯ টি বসতবাড়ি নিয়ে সমগ্র মিরপুরের আয়তন ৫৮.৬৬ বর্গ কিলোমিটার। মিরপুর এ কাজীপাড়া,শেওড়াপাড়া,সেনপাড়া ও সেকশন ১,২,৬,৭,১০,১১,পল্লবী,১২,১৩ এবং ১৪ রয়েছে। শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম এই মিরপুর অবস্থিত । এ ছাড়া নোবেল জয়ী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংক এখানে রয়েছে। এছাড়াও এখানে জাতীয় চিড়িয়াখানা, জাতীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন, শাহ আলীর মাজার ও শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ রয়েছে।
ঢাকার মিরপুর এলাকার মধ্যে অনেকগুলো এলাকা অন্তর্ভু্ক্ত রয়েছে। প্রতিটি এলাকার নামকরণের আবার আলাদা আলাদা ইতিহাস রয়েছে। মিরপুরের একটি অংশ জঙ্গালাকীর্ণ ও মাটির টিলার মত স্থান ছিল। সেই কারণে এলাকাটি পর্বতা নামে পরিচিত ছিল। আবার অন্য একটি অংশে সেন পদবীধারী হিন্দুদের বসবাস ছিল। সেই স্থানটি সেনপাড়া বা সেন পর্বতা নামে পরিচিতি লাভ করেছে। মিরপুরের একটি অংশে কাজী পরিবার বা কাজী উপাধিধারীগণ বাস করতো। তাই সে এলাকার নাম হয় কাজীপাড়া। আবার একটি এলাকায় অনেক শেওড়াগাছ ছিল। সেই এলাকাটি শেওড়াপাড়া নামে পরিচিতি পায়। এভাবেই মীরপুরের বিভিন্ন এলাকার নাম বিভিন্ন প্রেক্ষাপট অনুযায়ী রাখা হয়েছে।
তেজগাঁও থানা এর দরকারি ফোন নাম্বার 2121 সালে নতুন আপডেট লিস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম ।তেজগাঁও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয় অবস্থিত। প্রশাসন তেজগাঁও থানা গঠিত হয় ১৯৫৩ সালে। ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট থানাটি পুনর্গঠিত হয়।
তেজগাঁও, বাংলাদেশর ঢাকা বিভাগর অধীনে তেজগাঁও এর জনসংখ্যা।
জনসংখ্যা ১১৮৫৪০; পুরুষ ৬৭৪৩৯, মহিলা ৫১১০১। গড় হার ৭৬.৫১%; পুরুষ ৮১.৭২%, মহিলা ৬৯.৮৩%।
শিল্প ও কলকারখানা পোশাক শিল্প, তেলকল, বরফকল, ওয়েল্ডিং কারখানা।
সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান লাইব্রেরি ১, ক্লাব ৪, কমিউনিটি সেন্টার ৩, সিনেমা হল ৩। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদ, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। এখানে সমস্ত থানার বড় বড় কর্মকর্তা আমি সম্মানিত ব্যক্তিদের মোবাইল নাম্বার আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হলো